স্পেশাল ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ করতে ভারতের ব্যবসায়ীদের প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রীর আহ্বান

0
419

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ করতে ভারতের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ৩০টি বাস্তবায়নের কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি প্রস্তাবিত কুষ্টিয়ার স্পেশাল ইকোনমিক জোনে ভারতের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে আহবান জানান। মন্ত্রী বলেন, এখানে বিনিয়োগ ভারতের ব্যবসায়ীদের জন্য লাভজনক হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চলমান সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে দূর করে বাণিজ্যের পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। বর্ডার হাট বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের মধ্যে বেশ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। উভয় দেশের মানুষ আরো বর্ডার হাট চাচ্ছেন। উভয় দেশের সরকার বর্ডার হাটের সংখ্যা ও পরিধি বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আগামী দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চলমান বাণিজ্য সমস্যাগুলো সমাধানে আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত কাঁচাপাট ভারতে রপ্তানির বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ভারতের অনেক শিল্প কারখানা বাংলাদেশের কাঁচাপাটের ওপর নির্ভরশীল, তাই দ্রুত সমস্যাটির সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, গতবছর বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করেছে ৫ হাজার ৮১১ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। একই সময়ে বাংলাদেশ ভারতে রপ্তানি করেছে ৫২৭ দশমিক ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে ৫ হাজার ২৮৪ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ রপ্তানি পণ্যের অনেক কাঁচামাল ভারত থেকে আমদানি করে আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত বিশে^ রপ্তানি করে যাচ্ছে। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে। চলমান বাণিজ্য বাধাসমূহ দূর করা গেলে ভারতে রপ্তানি আরো বাড়বে।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভারত বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। দীর্ঘদিন পর হলেও দু’দেশের মধ্যে ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়েছে। বিদ্যুৎক্ষেত্রে সহযোগিতা পাওয়া গেছে।
বৈঠককালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্তি সচিব (এফটিএ) মনোজ কুমার রায় উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here