শহীদ মিনারে ৪ স্তরের নিরাপত্তা দেবে ডিএমপি

0
573

ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে চারস্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা শহীদ মিনার এলাকা ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার আওতাভুক্ত করেছি। দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, আমাদের নিরাপত্তা চাদর ভেদ করে কেউ কোনো ধরনের আইন বহির্ভূত কার্যকলাপ করার সুযোগ পাবে না। আজ শনিবার সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা পরিদর্শনে এসে তিনি একথা বলেন। কমিশনার বলেন, শাহবাগ থেকে শুরু করে চানখারপুল হয়ে পলাশীর মোড় থেকে সায়েন্স ল্যাবরেটরি পর্যন্ত পুরো এলাকা সিসিটিভি দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রত্যেকটি কর্মকাণ্ড সিসিটিভি দ্বারা মনিটরিং করা হবে।

তিনি বলেন, দোয়েল চত্বর-শাহবাগ-চানখারপুল-পলাশী এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে পায়ে হেঁটে আসা যাবে। সব দিকের সাধারণ লোকজন পলাশীর মোড়ে অপেক্ষা করবেন। দোয়েল চত্বর দিয়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ ভিআইপিরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন এবং একই পথ দিয়ে বের হয়ে যাবেন। ভিআইপির ফুল দেওয়া শেষ হলে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে পলাশীর রাস্তা খুলে দেব। তখন সাধারণ মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানবেন, বলেন তিনি।

বাড্ডায় ডিবির এক কর্মকর্তার ওপর জঙ্গিরা হামলা করেছে- মাতৃভাষাকে কেন্দ্র করে জঙ্গিরা তৎপর হয়ে উঠেছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, এটা চলমান প্রক্রিয়া। আমরা কখনো বলিনি, আমাদের হুমকি নেই। আমরা বলেছি, সুস্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। একটি মহল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করাসহ আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি চিহ্নিত মহল দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সতর্ক রয়েছি। আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছেন। আমাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য মহানগর জুড়ে কর্মকাণ্ড চলছে। শহরে গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তারই ধারবাহিকতায় সুস্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে বাড্ডায় অভিযান চালিয়েছি।

ফুল দিতে আসলে বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে বাধা দেওয়া হবে বলে অভিযোগ উঠেছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। এ দেশের জনগণ সবাই সমান। কেউ কাউকে বাধা দেবে, এটা কোনোভাবেই হবে না। এটা এলাও করব না। প্রত্যেকটি নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের দায়িত্ব। কেউ যদি বিশেষ নিরাপত্তার জন্য আবেদন করেন, আমরা তদন্ত করে যদি মনে করি, তার বিশেষ নিরাপত্তার দরকার আছে তাকে অবশ্যই তা দেব। কেউ যদি কাউকে বেআইনিভাবে বাধা দেয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here