আগৈলঝাড়ায় শিশু সজিবের হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন

0
454

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শিশু শিক্ষার্থী সজিব হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী গতকাল মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাজারে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গৌরনদী সার্কেলের এএসপি মো.নাঈমুর রহমান।
আগৈলঝাড়ার সীমান্তবর্তি কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল গ্রামের সঞ্জিত মজুমদারের একমাত্র ছেলে ও রামশীল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্র সজিব মজুমদার (১০)কে নৃশংস হত্যার বিচারের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার সকালে নিহত শিশু সজিবের নিজ বিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী আগৈলঝাড়ার বাটরা বাজারে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। বিক্ষোভ মিছিল রামশীল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থেকে শুরু হয়ে প্রেমচাঁদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রদক্ষিন শেষে বাটরা বাজারে গিয়ে শেষ হয়। মানববন্ধন কর্মসূচী চলাকালীন সময়ে শিশু সজিব হত্যায় সন্দেহভাজন অভিযুক্ত অশোক হালদারসহ জড়িত অন্যান্যদের ফাঁসির দাবিতে বক্তব্য রাখেন বাশাইল কলেজের অধ্যক্ষ রনজিত বাড়ৈ খোকন, রামশীল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর প্রসাদ রায়, স্থানীয় শ্যামল হালদার, মনোজ কান্তি গোমস্তা, ব্যবসায়ী দুলাল বাড়ৈ, কালীপদ রায়, পরিমল বাড়ৈ, শুকচাঁদ হালদার, নিহত সজিবের বাবা সঞ্জিত মজুমদার প্রমুখ। এসময় বক্তরা প্রশাসনের প্রতি সজিব হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গৌরনদী সার্কেলের এএসপি মো.নাঈমুর রহমান।
উল্লেখ্য, ১৬ ফেব্র“য়ারী বাটরা বাজার থেকে শিশু সজিব নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের ঘটনায় সজীবের বাবা সঞ্জিত মজুমদার ১৮ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। যার নং ৭৭০। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে খবর পেয়ে কোদালধোয়া গ্রামের নকুল বাড়ৈর পুকুর থেকে শিশু সজীবের পেটকাটা ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ছেলে হত্যার ঘটনায় সজিবের বাবা সঞ্জিত বাদী হয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি কোটালীপাড়ারা উপজেলার রামশীল গ্রামের অতুল হালদারের দুই ছেলে অশোক হালদার (৪০) ও অশ্রু হালদারের নাম সন্দেহমুলক উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। নং-১০ (২১/২/১৬)। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ কোন ঘাতককে আটক করতে পারেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here