সহযোগিতার ৪ চুক্তি সই

0
369

সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থাকে মুসলিম উম্মাহর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তা মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও কুয়েত। এ ছাড়া দুটি দেশ অর্থনীতি, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি, জনশক্তি রপ্তানি, সামরিক ও আইসিটি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ, সামরিক, ঋণ সহযোগিতা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে চারটি চুক্তিতে সই করেছে দুই দেশ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সফররত কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ আল-সাবাহর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে মতৈক্য ও পরে চুক্তি হয়। গতকাল বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি হয়। এ বৈঠকের আগে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রায় ১৫ মিনিট একান্তে বৈঠক করেন। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ওই চার চুক্তিতে সই করেন দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুই দেশের সরকারপ্রধানদের এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে, যেখানে দুই দেশের সামগ্রিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বৈঠকের শুরুতে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাঁর এই সফর দুই দেশের সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।’ পররাষ্ট্রসচিব জানান, চার চুক্তির মধ্যে প্রথমেই সই হয় বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সুরক্ষা চুক্তি। কুয়েতের শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী ড. বদর আহমদ আল ইসা এবং বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ‘দি অ্যাগ্রিমেন্ট ফর দ্য প্রমোশন অ্যান্ড রিসিপ্রোকাল প্রটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক এ চুক্তিতে সই করেন। এরপর সই হয় কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা সহজীকরণ-সংক্রান্ত চুক্তি। কুয়েতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত খালেদ সুলায়মান আল জারাল্লাহ এবং বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান ‘দি অ্যাগ্রিমেন্ট অন মিউচ্যুয়াল এক্সেম্পশন অব প্রায়র এন্ট্রি ভিসা ফর হোল্ডারস অব ডিপ্লোম্যাটিক, স্পেশাল অ্যান্ড অফিশিয়াল পাসপোর্ট’ শীর্ষক চুক্তি সই করেন। বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে সামরিক খাতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সহযোগিতা চুক্তিটিতে সই করেন কুয়েতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত খালেদ সুলায়মান আল জারাল্লাহ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান। সবশেষে সই হয় ঋণ সহায়তা চুক্তি। ‘বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে পায়রা নদীর ওপর লেবুখালী সেতু নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পে অর্থায়নের লক্ষ্যে কুয়েতের আরব অর্থনৈতিক উন্নয়ন ফান্ডের (কেএফএইডি) সঙ্গে স্বাক্ষরিত এ ঋণচুক্তিতে সই করেন কেএফএইডির মহাপরিচালক আবদুল ওয়াহাব আল-বাদর এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা বেগম। এটি পায়রা ব্রিজ প্রকল্প নিয়ে দ্বিতীয় ঋণচুক্তি। এই চুক্তির আওতায় কুয়েতের ফান্ডের পরিমাণ ১৫ মিলিয়ন কুয়েতি দিনার বা ৫০ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ। এর আগে ২০১২ সালের মার্চ মাসে কেএফএইডির সঙ্গে আরেকটি ঋণচুক্তি সই হয়, যাতে কুয়েতি ফান্ডের পরিমাণ ছিল ১৪ মিলিয়ন কুয়েতি দিনার বা প্রায় ৪৮ মিলিয়ন ডলার। সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক ও জনপথ ডিভিশনের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ দপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মুখ্য উদ্দেশ্য পায়রা নদীর ওপর লেবুখালীতে বরিশাল-পটুয়াখালী সড়কে এক হাজার ৪৭০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণ করা। ব্রিজটি নির্মিত হলে সরাসরি রাজধানীর সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা আরো উন্নত হবে। এতে মানুষের ভোগান্তি লাঘব হওয়ার পাশাপাশি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নততর হবে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জনগণের কাছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে ইআরডি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল,  প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। আর কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দেশটির প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ, অর্থ ও তেলমন্ত্রী আনাস খালেদ আল-সাবাহ, শিক্ষামন্ত্রী ড. বদর হামাদ আল-ইসা, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদ সুলেইমান আল-জারাল্লাহ, কুয়েতের আরব অর্থনৈতিক উন্নয়ন ফান্ডের (কেফায়েদ) মহাপরিচালক আবদুল ওয়াহাব আল-বাদেরসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, টেররিজম এবং এক্সট্রিম ভায়োলেন্সের বিষয়ে দুই দেশের পলিসির প্রচুর মিল আছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। দুই প্রধানমন্ত্রীই সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ প্রশ্নে তাঁদের জিরো টলারেন্স নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস এবং চরমপন্থা সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এবং সমগ্র মানবতার জন্যই বিরাট চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে এটি মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। এ বিষয়ে সন্ত্রাস ও চরমপন্থা বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তিনি তুলে ধরেন। বৈঠকে চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সহযোগিতার কথাও জানতে চেয়েছেন শেখ জাবের। মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে জাতিসংঘ এবং ওআইসির নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছে।’ কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে সন্ত্রাস ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান এবং পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বৈঠকে সিরিয়া ও লিবিয়ায় সংঘাতের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইসলামিক উম্মা এবং সিরিয়া ও লিবিয়ার কথা এসেছে। এখন যে মুসলিম উম্মাহ একটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, বিভিন্ন কনফ্লিক্টে বিভিন্ন এলাকায় যে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে এবং বিভিন্ন কনফ্লিক্টের জন্য যে ডিসপ্লেসমেন্ট হচ্ছে, সেখানে কী কাজ করার আছে—তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে ওআইসি, ইউএন এবং শান্তিরক্ষা মিশনে—সে বিষয়টি এসেছে।’ পররাষ্ট্রসচিব জানান, বৈঠকে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র এবং বাংলাদেশের সঙ্গে কুয়েতের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশ ও কুয়েত মুসলিম উম্মাহর জন্য একত্রে কাজ করতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন। বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশে কুয়েতের বিনিয়োগকারীদের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কুয়েতের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ আল-সাবাহ বাংলাদেশে বিনিয়োগে শেখ হাসিনার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে কুয়েতকে সহায়তার প্রস্তাবও দেন শেখ হাসিনা। কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর দেশ বাংলাদেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে সহায়তায় আগ্রহী। বঙ্গোপসাগরের জ্বালানি সম্পদ উত্তোলনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে ‘জয়েন্ট ট্রেড মিটিং’-এর প্রস্তাব করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। কুয়েতে বাংলাদেশের কর্মজীবীদের সংখ্যা আরো বৃদ্ধিতে দুই দেশের মধ্যে ‘জয়েন্ট গ্রুপ’ গঠন করে আলোচনার প্রস্তাবও আসে বৈঠকে। প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা আরো বাড়ার আশা প্রকাশ করে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারির প্রশংসা করেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আরো নিবিড় আলোচনার বিষয়েও কথা হয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব জানান, কুয়েতের আমিরকে বাংলাদেশ সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর শেখ হাসিনাকে সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী। শেখ জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ আল-সাবাহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছলে শেখ হাসিনা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এদিকে কুয়েত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বাড়াতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা একমত হয়েছেন। এ লক্ষ্যে তাঁরা একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছেন। সফররত কুয়েত চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির বাণিজ্য প্রতিনিধিদল এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) নেতারা গতকাল এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ : রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে আইটি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কুয়েতের আরো বিনিয়োগ কামনা করেছেন। গতকাল কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন এ তথ্য জানান। দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কুয়েতে কর্মরত দুই লাখ বাংলাদেশি উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। কুয়েতকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার ও বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ, আধা-দক্ষ ও অদক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্য তিনি কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সইয়ের ফলে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো বাড়বে বলে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন। তিনি কুয়েতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণে পদক্ষেপ নিতেও শেখ জাবেরের প্রতি আহ্বান জানান। শেখ জাবের বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে কুয়েত সহায়তা দিয়ে যাবে। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বৈঠকে শেখ জাবের রাষ্ট্রপতির কাছে কুয়েতের আমিরের একটি আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন। সংসদে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী : জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে বসে বাংলাদেশের আইনসভার কার্যক্রম দেখলেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ আল-সাবাহ। গতকাল বিকেলে সংসদের কার্যক্রমের শুরুতেই সফরসঙ্গীদের নিয়ে অধিবেশন কক্ষে ঢোকেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্বকারী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির বিষয়টি সংসদকে জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here